আমাদের কথা

সুন্নত ডট ইনফো এ আপনাকে স্বাগতম।

সমগ্র বাংলাদেশে সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী সুন্নত প্রচার করাই আমদের মূল লক্ষ্য। যুগের পর যুগ সুন্নত পালনের ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ থেকেই হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ‘সুন্নত’। কেননা বর্তমান জমানায় কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীই নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করে মহাসম্মানীত সুন্নত প্রচার করছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় এবং একইসাথে উদ্বিগ্ন হবারও কারণ। যদি এখন থেকেই এই ব্যাপারে সচেতন না হওয়া যায় তাহলে সেইদিন খুব বেশী দূরে নয় যেদিন সুন্নত শুধুমাত্র মানুষের স্মৃতিতেই থেকে যাবে, বাহ্যিকভাবে কোথাও এর কোন প্রয়োগ লক্ষ্য করা যাবে না।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো, তাহলে আমাকে অনুসরণ করো,যাতে মহান আল্লাহপাক তিনিও তোমাদেরকে মুহব্বত করেন এবং তোমাদেরকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন।আর মহান আল্লাহ পাক তিনি হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্রআয়াত শরীফ ৩১)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুতিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত সুন্নতমুবারক উনাকে মুহব্বত করলেন, তিনি মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলেন, আর যিনি আমাকে মুহব্বত করবেন, তিনি আমারসাথে সম্মানিত জান্নাতে অবস্থান করবেন। সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)

আর সমগ্র মুসলিম উম্মাহ উনাদের ইজমা হয়েছে- নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্রক্বদম মুবারক উনার সাথে যে মাটি মুবারক লেগেছে, তা যমীন ও আসমানের সমস্ত কিছু থেকে ফযীলতপূর্ণ। এমনকিসুমহান আরশে আযীম উনার থেকেও ফযীলতপূর্ণ। সুবহানাল্লাহ! (রদ্দুল মুহতার (শামী), বাবুয্ যিয়ারহ)