সুন্নতী কাঠের প্লেট ৭”
 

সুন্নতী কাঠের প্লেট ৭”

ট্যাগ সমূহ: সুন্নতী কাঠের প্লেট

  • ৳ ৫০০


সুন্নতী কাঠের প্লেট ব্যবহার করুন, হাবীবী নিছবত হাছিল করুন

আমাদের প্রিয় নবীজি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঠের প্লেটে খাদ্য মুবারক খেয়েছেন। তাই এটি হলো সুন্নতী প্লেট।

⭐ পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্বঃ
যিনি হায়াতুন নবী, শাহিদুন নবী, মুত্তালা ‘আলাল গইব, হাযির ওয়া নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের জন্য সম্মানিত আদর্শ মুবারক। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন আপনাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)

অর্থাৎ, একজন মুসলমানের মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত, এমনকি হায়াতের পূর্ব থেকে মউতের পর পর্যন্ত, কি খাবে, কি পরিধান করবে, কিভাবে চলা-ফেরা করবে, কি ব্যবহার করবে, এক কথায় যাবতীয় করণীয়-কর্তব্য সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ বর্ণনা মুবারক করেছেন। সুতরাং, মনগড়াভাবে কোন কিছু করার সুযোগ নেই। সুতরাং যারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করবেন অর্থাৎ যারা মুসলমান হবেন, পুরুষ কিংবা মহিলা, উনারা কি ধরনের আসবাবপত্র ও তৈজসপত্র ব্যবহার করবেন সেটাও শিখতে হবে এবং দেখতে হবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি আসবাবপত্র ব্যবহার করেছেন, কি তৈসজপত্র ব্যবহার করেছেন। সেগুলো প্রত্যেকটাই আমাদের জন্য আদর্শ মুবারক। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَّنْ يُّطِعِ الرَّسُوْلَ فَقَدْ أَطَاعَ اللهَ
অর্থ: যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ করলেন তিনি মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই অনুসরণ করলেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ; পবিত্র আয়াত শরীফ ৮০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَا اٰتَاكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوْا وَاتَّقُوا اللهَ إِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ করুন এবং যা নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকুন এবং এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করুন। নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ; পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ تَـمَسَّكَ بِسُنَّتِـيْ عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِـيْ فَلَه أَجْرُ مِائَةِ شَهِيْدٍ
অর্থ: “যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারক উনাকে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব প্রদান করা হবে।” সুবহানাল্লাহ! (মিশকাত শরীফ)
কেমন একশত শহীদের ছওয়াব? হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা ‘আনহুম উনারা সম্মানিত বদর ও সম্মানিত উহুদ জিহাদে শহীদ হয়ে যে রকম মর্যাদা মুবারক হাছিল করেছেন ঠিক সেই রকম মর্যাদা হাছিল করবেন এই আখিরী যামানায় একটা সুন্নত মুবারক আদায় করলেই। সুবহানাল্লাহ! এক হাজার হিজরী শতকের পরবর্তী সময়কে আখেরী যামানা বলা হয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ أَحَبَّ سُنَّتِيْ فَقَدْ اَحَبَّنِيْ وَمَنْ أَحَبَّنِيْ كَانَ مَعِيَ فِي الْـجَنَّةِ
অর্থ:“যিনি আমার পবিত্র সুন্নত মুবারককে মহব্বত করেন অর্থাৎ অনুসরণ করে তিনি যেন আমাকেই মহব্বত মুবারক করেন। আর যিনি আমাকে মুহব্বত মুবারক করেন, আমার সাথেই তিনি সম্মানিত জান্নাতে থাকবেন।” (তিরমিযী শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
قُلْ اِنْ كُنْـتُمْ تُـحِبُّـوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِـيْ
অর্থ: আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলুন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও তাহলে আমাকে অনুসরণ করো।” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)
 

আপনার মূল্যায়ন লিখুন

Note: HTML is not translated!
    খারাপ           ভালো