0 0
0
ঝুড়িতে কোনো পণ্য নেই

লাল ডিম (৩০পিছ) | Dim | The Egg

৳375

ডিম (Egg) হলো প্রকৃতির এক অনন্য উপহার, যাকে "সুপারফুড" বলা হয়। এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর একটি সম্পূর্ণ খাদ্য।

(Available)
পরিমাণ

SKU: SF-2443-YBFB

বিভাগসমূহ: অন্যান্য, নাস্তা

ডিমের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা
  • উচ্চমানের প্রোটিন: ডিমে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ৯টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক পরিমাণে থাকে, যা পেশি গঠনে সাহায্য করে।  
  • মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: এতে রয়েছে 'কোলিন' নামক পুষ্টি উপাদান, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মস্তিষ্কের কোষ গঠনে অত্যন্ত জরুরি।  
  • চোখের সুরক্ষা: ডিমের কুসুমে 'লুটেইন' এবং 'জিক্সাথিন' নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা বয়সজনিত অন্ধত্ব ও ছানি পড়া রোধ করে।  
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ: সকালের নাশতায় ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যা অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।  
  • হাড় ও দাঁত মজবুতকরণ: ডিম ভিটামিন-ডি এর একটি প্রাকৃতিক উৎস, যা শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে হাড় শক্ত রাখে।  
  • ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি: ডিম শরীরের উপকারী কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।  
 

🥚 কুসুমসহ ডিম নাকি শুধু ডিমের সাদা অংশ?
  • সাদা অংশ: এটি সম্পূর্ণ ফ্যাট-মুক্ত এবং এতে খাঁটি প্রোটিন থাকে। যারা ওজন কমাতে চান বা বডি বিল্ডিং করছেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ।  
  • কুসুম: ডিমের প্রায় সব ভিটামিন (A, D, E, B12), আয়রন, কোলিন এবং ভালো ফ্যাট কুসুমের মধ্যেই থাকে। তাই সুস্থ মানুষের জন্য কুসুমসহ পুরো ডিম খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী।    
 

🥣 ডিম খাওয়ার সেরা উপায় ও নিয়ম 
১. সেদ্ধ ডিম (Boiled Egg): ডিম খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হলো এটি সেদ্ধ করে খাওয়া। এতে বাড়তি কোনো তেল বা ক্যালোরি যোগ হয় না।
২. পোচ বা ওমলেট: অল্প অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল দিয়ে পোচ বা ওমলেট করে খাওয়া যেতে পারে।
৩. কতটি খাওয়া নিরাপদ?: একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন নিশ্চিন্তে ১ থেকে ২ টি সম্পূর্ণ ডিম খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কুসুমের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। 
 

⚠️ কিছু জরুরি সতর্কতা
  • কাঁচা ডিম এড়িয়ে চলুন: কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডিমে 'সালমোনেলা' নামক ব্যাকটেরিয়া থাকার ঝুঁকি থাকে, যা ফুড পয়জনিং বা পেটের অসুখ ঘটাতে পারে।  
  • ডিম কেনার পর ধোয়া: ডিম ফ্রিজে রাখার আগে ধুয়ে ফেলা উচিত নয়, কারণ এতে ডিমের খোসার ওপর থাকা প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক স্তর নষ্ট হয়ে ব্যাকটেরিয়া ভেতরে ঢুকতে পারে।  

আপনার পর্যালোচনা যোগ করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলি * দিয়ে চিহ্নিত

পর্যালোচনা লিখতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন!

ছবি আপলোড করুন

মনে হচ্ছে এখনও কোনো পর্যালোচনা নেই।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy